সোমবার, ২২শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং, ৭ই কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, রাত ১১:১৪
শিরোনাম
Tuesday, April 4, 2017 6:57 am
A- A A+ Print

যোগাযোগের স্নায়ুকেন্দ্র হবে বাংলাদেশ: মুহিত

সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার পরিবহন ও ট্রান্সশিপমেন্ট হাব হিসেবে গড়ে ওঠার পূর্ণ সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের। ভারত, মিয়ানমার, ভুটান, নেপাল ও চীনের কুনমিংয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ও ভৌগোলিক অবস্থানের দরুন যোগাযোগের স্নায়ুকেন্দ্র হিসেবে বাংলাদেশের গড়ে ওঠার সম্ভাবনা প্রবল।

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) সহায়তায় দক্ষিণ এশিয়া উপ-আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার (সাসেক) সম্মেলনে আজ সোমবার এ মন্তব্য করেন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী এ এম এ মুহিত। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি।

বাংলাদেশ ও ভারত ছাড়া এ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, মালদ্বীপ ও নেপালের অর্থমন্ত্রীরা। পাকিস্তান ও আফগানিস্তান এই দেশগুলোর সঙ্গে এখনো জোটবদ্ধ হয়নি।
সম্মেলনে মুহিত বলেন, প্রতিবেশীদের সঙ্গে সড়ক, রেল ও সমুদ্র যোগাযোগ বাড়াতে সাসেক সাহায্য করছে। বাংলাদেশ সরকারও এ ক্ষেত্রে সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপে আগ্রহী, যা উপ-আঞ্চলিক বাণিজ্যের পরিবেশ অনুকূল হতে সাহায্য করবে। সে জন্য আইনি ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাসহ অন্যান্য বিষয় আন্তর্জাতিক স্তরে উন্নীত করতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে প্রচারিত এক বিবৃতিতে এ খবর জানিয়ে বলা হয়, এ সম্মেলনে হাইকমিশনার সৈয়দ মোজাম্মেল আলীও উপস্থিত ছিলেন।

আগামী দিনের লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে সম্মেলনে সাসেক সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ‘ভিশন ডকুমেন্ট ২০১৫’ গৃহীত হয়। অর্থমন্ত্রী মুহিত বলেন, বাংলাদেশ দুটি বড় যোগাযোগ করিডরের বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করছে। একটি বাংলাবান্ধা-ঢাকা-চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার, অন্যটি সিলেট-ঢাকা-খুলনা। লক্ষ্য পূরণ হলে সাসেক সদস্যভুক্ত দেশগুলোর প্রবৃদ্ধির বার্ষিক পরিমাণ বছরে ৭০০ কোটি ডলার বেড়ে যাবে। কর্মসংস্থান বাড়বে বছরে দুই কোটি।

Comments

Comments!

 Natunsokal.com

যোগাযোগের স্নায়ুকেন্দ্র হবে বাংলাদেশ: মুহিত

Tuesday, April 4, 2017 6:57 am

সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার পরিবহন ও ট্রান্সশিপমেন্ট হাব হিসেবে গড়ে ওঠার পূর্ণ সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের। ভারত, মিয়ানমার, ভুটান, নেপাল ও চীনের কুনমিংয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ও ভৌগোলিক অবস্থানের দরুন যোগাযোগের স্নায়ুকেন্দ্র হিসেবে বাংলাদেশের গড়ে ওঠার সম্ভাবনা প্রবল।

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) সহায়তায় দক্ষিণ এশিয়া উপ-আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার (সাসেক) সম্মেলনে আজ সোমবার এ মন্তব্য করেন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী এ এম এ মুহিত। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি।

বাংলাদেশ ও ভারত ছাড়া এ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, মালদ্বীপ ও নেপালের অর্থমন্ত্রীরা। পাকিস্তান ও আফগানিস্তান এই দেশগুলোর সঙ্গে এখনো জোটবদ্ধ হয়নি।
সম্মেলনে মুহিত বলেন, প্রতিবেশীদের সঙ্গে সড়ক, রেল ও সমুদ্র যোগাযোগ বাড়াতে সাসেক সাহায্য করছে। বাংলাদেশ সরকারও এ ক্ষেত্রে সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপে আগ্রহী, যা উপ-আঞ্চলিক বাণিজ্যের পরিবেশ অনুকূল হতে সাহায্য করবে। সে জন্য আইনি ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাসহ অন্যান্য বিষয় আন্তর্জাতিক স্তরে উন্নীত করতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে প্রচারিত এক বিবৃতিতে এ খবর জানিয়ে বলা হয়, এ সম্মেলনে হাইকমিশনার সৈয়দ মোজাম্মেল আলীও উপস্থিত ছিলেন।

আগামী দিনের লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে সম্মেলনে সাসেক সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ‘ভিশন ডকুমেন্ট ২০১৫’ গৃহীত হয়। অর্থমন্ত্রী মুহিত বলেন, বাংলাদেশ দুটি বড় যোগাযোগ করিডরের বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করছে। একটি বাংলাবান্ধা-ঢাকা-চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার, অন্যটি সিলেট-ঢাকা-খুলনা। লক্ষ্য পূরণ হলে সাসেক সদস্যভুক্ত দেশগুলোর প্রবৃদ্ধির বার্ষিক পরিমাণ বছরে ৭০০ কোটি ডলার বেড়ে যাবে। কর্মসংস্থান বাড়বে বছরে দুই কোটি।

Comments

comments

X