বুধবার, ২১শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং, ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৪:৪৬
শিরোনাম
Wednesday, February 8, 2017 8:06 am
A- A A+ Print

প্যাটারসনে ট্রাম্পের মুসলিম ব্যান বিরোধী প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

যুক্তরাষ্ট্রে নির্দিষ্ট ৭ টি দেশের মুসলিম অভিবাসী ও শরণার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধকরণ সম্পর্কিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের প্রতিবাদে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যেে প্যাটারসন সিটিতেও এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ফ্যাটারসনে বসবাসরত হিস্পানিক, ল্যাটিনো, এ্যারাবিয়ান ও বাংলাদেশী কমিউনিটির অধিবাসিরা এ প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশে স্বতঃস্ফ’র্তভাবে অংশগ্রহন করে। প্যাটারসন সিটি মেয়র এবং সিটির সর্বস্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরাও এতে অংশগ্রহণ করে। Sequence 01.Still003

৫ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে বিভিন্ন কমিউনিটির অধিবাসিরা পতাকা, ইত্যাদি হাতে প্রাটারসন ফেডারেল প্লাজায় জড় হতে থাকে। দুপুর ১২ টায় সমবেত জনতা প্রতিবাদ মিছিল শুরু করে এবং গ্রেট ফলস এ এসে সমাবেশের প্রস্তুতি নেয়। এ সময় গ্রেট ফলস এ অপেক্ষমান জনতা মিছিলটির সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে। শরণার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রে ছিল এবং আসবে, প্যাটারসন সিটি সবার জন্যে উন্মুক্ত, মুসলিমরা আমাদের ভাই, মুসলিম ব্যান নিষিদ্ধ কর ইত্যাদি শ্লোগানে তারা চারিদিক প্রকম্পিত করে তোলে।

গ্রেট ফলস এ সমাবেশস্থলে হাজারো জনতা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত ও শপথ পাঠের মাধ্যমে সমাবেশ শুরু করে। উপস্থিত নারী, পুরুষ, শিশু, কিশোররা এসময় উচ্চকন্ঠে শ্লোগান দেয়। প্যাটারসন সিটি মেয়র হোসে জো টরেস উপস্থিত জনতার সামনে বক্তব্য রাখেন। তিনি প্যাটারসন সিটিকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য নজীর বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন বহু দেশ, জাতি, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের লোকেরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্যাটারসন সিটির উন্নয়নের জন্যে কাজ করে যাচ্ছে। শরণার্থী ও যেকোনো সম্প্রদায়ের লোকদের প্যাটারসন সিটি স্বাগত জানায়।
ঈমাম কাত্যায়নি তার বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে বলেন আমরা আপনাকে দাওয়াত দিচ্ছি। আপনি স্বশরীরে এসে দেখে যান ভাতৃত্ববন্ধনের এক অপূর্ব দৃষ্টান্ত এই প্যাটারসন সিটি। আপনি দেখে যান কতটা শান্তিপূর্ণভাবে আমরা এখানে Sequence 01.Still002সহাবস্থান করছি। শরণার্থী কিংবা মুসলিম পরিচয়ে নয় বরঞ্চ দেশের একজন নাগরিক হিসেবে প্যাটারসন সিটির প্রত্যেকটি বাসিন্দাকে মূল্যায়ন করা হয়। অভিবাসী হয়েও আমরা আমেরিকার সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং দেশপ্রেমে উজ্জীবিত।

বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবাধিকার সংস্থা এ সমাবেশে উপস্থিত ছিল।

Comments

Comments!

 Natunsokal.com

প্যাটারসনে ট্রাম্পের মুসলিম ব্যান বিরোধী প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

Wednesday, February 8, 2017 8:06 am

যুক্তরাষ্ট্রে নির্দিষ্ট ৭ টি দেশের মুসলিম অভিবাসী ও শরণার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধকরণ সম্পর্কিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের প্রতিবাদে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যেে প্যাটারসন সিটিতেও এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ফ্যাটারসনে বসবাসরত হিস্পানিক, ল্যাটিনো, এ্যারাবিয়ান ও বাংলাদেশী কমিউনিটির অধিবাসিরা এ প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশে স্বতঃস্ফ’র্তভাবে অংশগ্রহন করে। প্যাটারসন সিটি মেয়র এবং সিটির সর্বস্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরাও এতে অংশগ্রহণ করে। Sequence 01.Still003

৫ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে বিভিন্ন কমিউনিটির অধিবাসিরা পতাকা, ইত্যাদি হাতে প্রাটারসন ফেডারেল প্লাজায় জড় হতে থাকে। দুপুর ১২ টায় সমবেত জনতা প্রতিবাদ মিছিল শুরু করে এবং গ্রেট ফলস এ এসে সমাবেশের প্রস্তুতি নেয়। এ সময় গ্রেট ফলস এ অপেক্ষমান জনতা মিছিলটির সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে। শরণার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রে ছিল এবং আসবে, প্যাটারসন সিটি সবার জন্যে উন্মুক্ত, মুসলিমরা আমাদের ভাই, মুসলিম ব্যান নিষিদ্ধ কর ইত্যাদি শ্লোগানে তারা চারিদিক প্রকম্পিত করে তোলে।

গ্রেট ফলস এ সমাবেশস্থলে হাজারো জনতা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত ও শপথ পাঠের মাধ্যমে সমাবেশ শুরু করে। উপস্থিত নারী, পুরুষ, শিশু, কিশোররা এসময় উচ্চকন্ঠে শ্লোগান দেয়। প্যাটারসন সিটি মেয়র হোসে জো টরেস উপস্থিত জনতার সামনে বক্তব্য রাখেন। তিনি প্যাটারসন সিটিকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য নজীর বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন বহু দেশ, জাতি, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের লোকেরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্যাটারসন সিটির উন্নয়নের জন্যে কাজ করে যাচ্ছে। শরণার্থী ও যেকোনো সম্প্রদায়ের লোকদের প্যাটারসন সিটি স্বাগত জানায়।
ঈমাম কাত্যায়নি তার বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে বলেন আমরা আপনাকে দাওয়াত দিচ্ছি। আপনি স্বশরীরে এসে দেখে যান ভাতৃত্ববন্ধনের এক অপূর্ব দৃষ্টান্ত এই প্যাটারসন সিটি। আপনি দেখে যান কতটা শান্তিপূর্ণভাবে আমরা এখানে Sequence 01.Still002সহাবস্থান করছি। শরণার্থী কিংবা মুসলিম পরিচয়ে নয় বরঞ্চ দেশের একজন নাগরিক হিসেবে প্যাটারসন সিটির প্রত্যেকটি বাসিন্দাকে মূল্যায়ন করা হয়। অভিবাসী হয়েও আমরা আমেরিকার সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং দেশপ্রেমে উজ্জীবিত।

বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবাধিকার সংস্থা এ সমাবেশে উপস্থিত ছিল।

Comments

comments

X