শনিবার, ১৭ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং, ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১২:৩১
শিরোনাম
Tuesday, March 28, 2017 6:10 am
A- A A+ Print

পায়ের কালচে ছোপ দূর করতে

47434-566x633-pedicure1লোমকূপে জমে থাকা তেল, ময়লা এবং ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণে এই ধরনের দাগ হতে পারে। নিরাময়ের জন্য চাই সঠিক যত্ন।

রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ‘ইনগ্রৌন হেয়ার’ বা যে লোমগুলোর উপর কোষের পরত পড়ে সেগুলো বের হতে পারে না। ফলে ত্বকে কালচে দাগ হয়।

পায়ের ত্বকের যত্নে সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

স্যালিসাইলিক অ্যাসিড: সমৃদ্ধ ‘ক্লিনজার’ বা ‘বডি ওয়াশ’ ত্বক পরিষ্কারের পাশাপাশি ছোটখাটো ফুসকুড়ি ও অন্যান্য সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। তাই পায়ের ত্বকে এ ধরনের সমস্যা থাকলে স্যালিসাইলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ ক্লিনজার বেছে নেওয়া যেতে পারে।

কুসুম গরম পানি: মাঝে মাঝে কুসুম গরম পানিতে পা ভিজিয়ে রাখলে লোমকূপ খুলে জমে থাকা তেল ও ময়লা বের যায়। ফলে ত্বক পরিষ্কার হয় এবং ধীরে ধীরে দাগও হালকা হতে থাকে।

what-is-pedicureএক্সফলিয়েট: মুখের মতো পুরো শরীরের ত্বকের উপর মৃত কোষের স্তর পড়তে পারে। তাই সপ্তাহে অন্তত একদিন এক্সফলিয়েট বা ঘষামাজা করা প্রয়োজন। এতে মৃত কোষ পরিষ্কার হয়। ফলে ‘ইনগ্রৌন হেয়ার’য়ের সমস্যাও দূর হয়। এছাড়াও এক্সফলিয়েট করার সময় মালিশ করার ফলে ত্বকে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং দূষিত উপাদান দূর হয়।

বেইকিং সোডা: পানির সঙ্গে বেইকিং সোডা মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে পায়ের কালচে ছোপ অংশে লাগান। নিয়মিত ব্যবহারে বড় হয়ে যাওয়া লোমকূপ সংকুচিত হবে। এই মিশ্রণ লোমকূপের ভেতর থেকে ময়লা পরিষ্কার করে।

শেইভিং থেকে বিরতি: ‘ইনগ্রৌন হেয়ার’ এবং লোমকূপ কালচে হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ নিয়মিত শেইভিং। তাই কিছুদিন শেইভিং ত্যাগ করুন। এর বদলে অবাঞ্ছিত লোম থেকে মৃক্তি পেতে ওয়াক্সিং করতে পারেন।

Comments

Comments!

 Natunsokal.com

পায়ের কালচে ছোপ দূর করতে

Tuesday, March 28, 2017 6:10 am

47434-566x633-pedicure1লোমকূপে জমে থাকা তেল, ময়লা এবং ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণে এই ধরনের দাগ হতে পারে। নিরাময়ের জন্য চাই সঠিক যত্ন।

রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ‘ইনগ্রৌন হেয়ার’ বা যে লোমগুলোর উপর কোষের পরত পড়ে সেগুলো বের হতে পারে না। ফলে ত্বকে কালচে দাগ হয়।

পায়ের ত্বকের যত্নে সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

স্যালিসাইলিক অ্যাসিড: সমৃদ্ধ ‘ক্লিনজার’ বা ‘বডি ওয়াশ’ ত্বক পরিষ্কারের পাশাপাশি ছোটখাটো ফুসকুড়ি ও অন্যান্য সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। তাই পায়ের ত্বকে এ ধরনের সমস্যা থাকলে স্যালিসাইলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ ক্লিনজার বেছে নেওয়া যেতে পারে।

কুসুম গরম পানি: মাঝে মাঝে কুসুম গরম পানিতে পা ভিজিয়ে রাখলে লোমকূপ খুলে জমে থাকা তেল ও ময়লা বের যায়। ফলে ত্বক পরিষ্কার হয় এবং ধীরে ধীরে দাগও হালকা হতে থাকে।

what-is-pedicureএক্সফলিয়েট: মুখের মতো পুরো শরীরের ত্বকের উপর মৃত কোষের স্তর পড়তে পারে। তাই সপ্তাহে অন্তত একদিন এক্সফলিয়েট বা ঘষামাজা করা প্রয়োজন। এতে মৃত কোষ পরিষ্কার হয়। ফলে ‘ইনগ্রৌন হেয়ার’য়ের সমস্যাও দূর হয়। এছাড়াও এক্সফলিয়েট করার সময় মালিশ করার ফলে ত্বকে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং দূষিত উপাদান দূর হয়।

বেইকিং সোডা: পানির সঙ্গে বেইকিং সোডা মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে পায়ের কালচে ছোপ অংশে লাগান। নিয়মিত ব্যবহারে বড় হয়ে যাওয়া লোমকূপ সংকুচিত হবে। এই মিশ্রণ লোমকূপের ভেতর থেকে ময়লা পরিষ্কার করে।

শেইভিং থেকে বিরতি: ‘ইনগ্রৌন হেয়ার’ এবং লোমকূপ কালচে হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ নিয়মিত শেইভিং। তাই কিছুদিন শেইভিং ত্যাগ করুন। এর বদলে অবাঞ্ছিত লোম থেকে মৃক্তি পেতে ওয়াক্সিং করতে পারেন।

Comments

comments

X