বুধবার, ২১শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং, ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৩:৫৬
শিরোনাম
Tuesday, April 4, 2017 7:06 am
A- A A+ Print

চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর কর্মকর্তার স্ত্রীর লাশ উদ্ধার

রোববার রাতে চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড এলাকার নেভি হাসপাতাল থেকে পুলিশকে জানানো হয় আত্মহত্যা করা এক নারীর লাশ সেখানে রয়েছে। পরে পুলিশ লাশটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে আসে। ওই নারীর নাম শেখ হামিদা ফারহাত (৩০)। তাঁর স্বামী নৌবাহিনীর কর্মকর্তা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইপিজেড থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু জাহের মোল্লা গতকাল সোমবার দুপুরে মর্গের সামনে সাংবাদিকদের বলেন, রোববার রাত ১২টার দিকে নৌবাহিনীর ঈশা খাঁ ঘাঁটির হাসপাতাল (নেভি হাসপাতাল নামে পরিচিত) থেকে হামিদার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে নিয়ে আসা হয়। নিহত ব্যক্তির গলার নিচে দড়ির দাগের চিহ্ন রয়েছে। এ ছাড়া শরীরে আর কোথাও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি স্পষ্ট হবে। তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তা বাদী হয়ে থানায় অপমৃত্যুর মামলা করেছেন।

নিহত ব্যক্তির বাবা এস এম মঈন উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারে না। কেউ মেরে আত্মহত্যা বলে চালাচ্ছে। তিনি জামাতা লে. কমান্ডার শহীদ আল হাসানকে দায়ী করেন। এই ঘটনায় হত্যা মামলা করবেন বলে জানান।

মঈন উদ্দিন বলেন, তিনি রাঙ্গামাটিতে পরিবার নিয়ে থাকেন। সেখানে একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। মেয়ে মারা যাওয়ার খবর পেয়ে রোববার রাতে রাঙ্গামাটি থেকে চট্টগ্রামে ছুটে আসেন। প্রথমে তিনি নেভি হাসপাতালে যান। সেখানে গিয়ে জানেন তাঁর মেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি আরও বলেন, ২০১৫ সালে তাঁর মেয়ের বিয়ে হয়। স্বামীর সঙ্গে ইপিজেড এলাকায় নৌবাহিনীর কোয়ার্টারে থাকত তাঁর মেয়ে। তাঁর একটি নাতনি রয়েছে। তিনি বলেন, রোববার বিকেলে তাঁর আরেক মেয়ের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হয় ফারহাতের। এরপর সন্ধ্যার দিকে জামাতার মুঠোফোন থেকে এক ব্যক্তি ফোনে তাঁকে জানান, ফারহাত আত্মহত্যা করেছেন।

Comments

Comments!

 Natunsokal.com

চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর কর্মকর্তার স্ত্রীর লাশ উদ্ধার

Tuesday, April 4, 2017 7:06 am

রোববার রাতে চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড এলাকার নেভি হাসপাতাল থেকে পুলিশকে জানানো হয় আত্মহত্যা করা এক নারীর লাশ সেখানে রয়েছে। পরে পুলিশ লাশটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে আসে। ওই নারীর নাম শেখ হামিদা ফারহাত (৩০)। তাঁর স্বামী নৌবাহিনীর কর্মকর্তা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইপিজেড থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু জাহের মোল্লা গতকাল সোমবার দুপুরে মর্গের সামনে সাংবাদিকদের বলেন, রোববার রাত ১২টার দিকে নৌবাহিনীর ঈশা খাঁ ঘাঁটির হাসপাতাল (নেভি হাসপাতাল নামে পরিচিত) থেকে হামিদার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে নিয়ে আসা হয়। নিহত ব্যক্তির গলার নিচে দড়ির দাগের চিহ্ন রয়েছে। এ ছাড়া শরীরে আর কোথাও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি স্পষ্ট হবে। তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তা বাদী হয়ে থানায় অপমৃত্যুর মামলা করেছেন।

নিহত ব্যক্তির বাবা এস এম মঈন উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারে না। কেউ মেরে আত্মহত্যা বলে চালাচ্ছে। তিনি জামাতা লে. কমান্ডার শহীদ আল হাসানকে দায়ী করেন। এই ঘটনায় হত্যা মামলা করবেন বলে জানান।

মঈন উদ্দিন বলেন, তিনি রাঙ্গামাটিতে পরিবার নিয়ে থাকেন। সেখানে একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। মেয়ে মারা যাওয়ার খবর পেয়ে রোববার রাতে রাঙ্গামাটি থেকে চট্টগ্রামে ছুটে আসেন। প্রথমে তিনি নেভি হাসপাতালে যান। সেখানে গিয়ে জানেন তাঁর মেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি আরও বলেন, ২০১৫ সালে তাঁর মেয়ের বিয়ে হয়। স্বামীর সঙ্গে ইপিজেড এলাকায় নৌবাহিনীর কোয়ার্টারে থাকত তাঁর মেয়ে। তাঁর একটি নাতনি রয়েছে। তিনি বলেন, রোববার বিকেলে তাঁর আরেক মেয়ের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হয় ফারহাতের। এরপর সন্ধ্যার দিকে জামাতার মুঠোফোন থেকে এক ব্যক্তি ফোনে তাঁকে জানান, ফারহাত আত্মহত্যা করেছেন।

Comments

comments

X