বুধবার, ২১শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং, ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৪:১০
শিরোনাম
Saturday, March 4, 2017 11:37 pm
A- A A+ Print

খইয়াছড়ার ঝরনায়

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের খইয়াছড়া ঝরনার খবর পৌঁছে গেছে প্রকৃতিপ্রেমিকদের কাছে। শহর থেকে ঘণ্টা খানেকের দূরত্বে মিরসরাই উপজেলায় এমন ঝরনা থাকতে পারে, তা না দেখলে বিশ্বাস হবে না। প্রায় ৩০ ফুট উঁচু থেকে ঝরে পড়া জলের উচ্ছ্বাস দেখে বাক্রুদ্ধ হতে হয়। ঝোপ-জঙ্গলবেষ্টিত এই ঝরনায় যেতে হয় পাহাড়ি পথে হেঁটে।83257bf0b9eda03b94ee2a1c1d333740-17

চট্টগ্রাম থেকে বাসে মিরসরাই, এরপর মিরসরাই বাজার থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় চেপে খইয়াছড়া পৌঁছাতে হবে প্রথমে। খইয়াছড়া থেকে ৩০–৪০ মিনিট হাঁটলেই ঝরনায় পৌঁছানো যাবে। যাত্রা পথে চোখে পড়বে ধানখেত, গ্রাম, পাহাড় আর ঝোপ–জঙ্গল। গ্রামীণ পথে কিছুক্ষণ চলার পর পাহাড় ডিঙিয়ে যেতে হবে খইয়াছড়ায়।

শীতের এই সময়টাতেও এই ঝরনায় পানি আছে। এ সময় রাস্তাও ভালো থাকে। তবে স্থানীয় লোকজনের সহায়তা ছাড়া একা এই পথে ট্র্যাকিং করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।

খইয়াছড়ায় নেমে কাঁটায় ছেয়ে থাকা ঝোপ–জঙ্গল পার হয়ে এগোতে থাকলে চোখের সামনে এসে দঁাড়াবে একটি উঁচু পাহাড়। তার ঢাল বেয়ে উঠলে দেখবেন সরু দুধসাদা জলের রেখা নিচের দিকে নেমে গেছে। সামনে এগোলে জলের ধারাটাও বড় হতে থাকবে। আরও ২০-২৫ মিনিট হাঁটার পর পাহাড়ের সবুজ বেষ্টনী ভেদ করে দেখতে পাবেন ঝরনা। ৩০ থেকে ৩৫ ফুট উঁচু থেকে গড়িয়ে পড়ছে জলরাশি। ঝরনার জলে রোদ এসে পড়লে মনে হয় অসংখ্য হিরে শব্দ করে গড়িয়ে পড়ছে নিচের দিকে। এরপর আর একটু ওপরে উঠলে স্তরে স্তরে সাজানো তিনটি ছোট ঝরনার দেখা পাবেন। আর জল পড়ার শব্দও যে কত বিচিত্র হতে পারে, তা এখানে না এলে জানা হবে না। কোথাও ছলছল, কোথাও কলকল, ঝিমঝিম, ফুট ফুট, ফটফট কত অদ্ভুত শব্দেই যে তাকে অনুবাদ কারা যায়!

Comments

Comments!

 Natunsokal.com

খইয়াছড়ার ঝরনায়

Saturday, March 4, 2017 11:37 pm

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের খইয়াছড়া ঝরনার খবর পৌঁছে গেছে প্রকৃতিপ্রেমিকদের কাছে। শহর থেকে ঘণ্টা খানেকের দূরত্বে মিরসরাই উপজেলায় এমন ঝরনা থাকতে পারে, তা না দেখলে বিশ্বাস হবে না। প্রায় ৩০ ফুট উঁচু থেকে ঝরে পড়া জলের উচ্ছ্বাস দেখে বাক্রুদ্ধ হতে হয়। ঝোপ-জঙ্গলবেষ্টিত এই ঝরনায় যেতে হয় পাহাড়ি পথে হেঁটে।83257bf0b9eda03b94ee2a1c1d333740-17

চট্টগ্রাম থেকে বাসে মিরসরাই, এরপর মিরসরাই বাজার থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় চেপে খইয়াছড়া পৌঁছাতে হবে প্রথমে। খইয়াছড়া থেকে ৩০–৪০ মিনিট হাঁটলেই ঝরনায় পৌঁছানো যাবে। যাত্রা পথে চোখে পড়বে ধানখেত, গ্রাম, পাহাড় আর ঝোপ–জঙ্গল। গ্রামীণ পথে কিছুক্ষণ চলার পর পাহাড় ডিঙিয়ে যেতে হবে খইয়াছড়ায়।

শীতের এই সময়টাতেও এই ঝরনায় পানি আছে। এ সময় রাস্তাও ভালো থাকে। তবে স্থানীয় লোকজনের সহায়তা ছাড়া একা এই পথে ট্র্যাকিং করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।

খইয়াছড়ায় নেমে কাঁটায় ছেয়ে থাকা ঝোপ–জঙ্গল পার হয়ে এগোতে থাকলে চোখের সামনে এসে দঁাড়াবে একটি উঁচু পাহাড়। তার ঢাল বেয়ে উঠলে দেখবেন সরু দুধসাদা জলের রেখা নিচের দিকে নেমে গেছে। সামনে এগোলে জলের ধারাটাও বড় হতে থাকবে। আরও ২০-২৫ মিনিট হাঁটার পর পাহাড়ের সবুজ বেষ্টনী ভেদ করে দেখতে পাবেন ঝরনা। ৩০ থেকে ৩৫ ফুট উঁচু থেকে গড়িয়ে পড়ছে জলরাশি। ঝরনার জলে রোদ এসে পড়লে মনে হয় অসংখ্য হিরে শব্দ করে গড়িয়ে পড়ছে নিচের দিকে। এরপর আর একটু ওপরে উঠলে স্তরে স্তরে সাজানো তিনটি ছোট ঝরনার দেখা পাবেন। আর জল পড়ার শব্দও যে কত বিচিত্র হতে পারে, তা এখানে না এলে জানা হবে না। কোথাও ছলছল, কোথাও কলকল, ঝিমঝিম, ফুট ফুট, ফটফট কত অদ্ভুত শব্দেই যে তাকে অনুবাদ কারা যায়!

Comments

comments

X