বুধবার, ১৯শে ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং, ৫ই পৌষ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৩:৪৮
শিরোনাম
Friday, March 17, 2017 8:49 am
A- A A+ Print

আমান অর্থনৈতিক অঞ্চল চূড়ান্ত লাইসেন্স পেল

দেশের তৃতীয় বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইজেড) হিসেবে চূড়ান্ত লাইসেন্স পেয়েছে আমান অর্থনৈতিক অঞ্চল। এই অর্থনৈতিক অঞ্চল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ৮৩ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) আমানকে গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রাক্‌-যোগ্যতা লাইসেন্স দিয়েছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার বেজার কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে আমানকে চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়া হয়।

বেসরকারি খাতে এর আগে আবদুল মোনেম লিমিডেট ও মেঘনা গ্রুপ দুটি অর্থনৈতিক অঞ্চল চূড়ান্ত লাইসেন্স পেয়েছে।

লাইসেন্স প্রদান অনুষ্ঠানে আমান অর্থনৈতিক অঞ্চলের উদ্যোক্তারা বলেন, ইতিমধ্যে এই অর্থনৈতিক অঞ্চলটিতে তাঁরা প্রায় ৩১ কোটি ডলার ব্যয়ে আমান সিমেন্ট, আমান প্যাকেজিং লিমিটেড ও আমান শিপ বিল্ডিংয়ের কারখানা স্থাপন করেছেন, যা কয়েক মাসের মধ্যেই উৎপাদনে যেতে পারবে। এ ছাড়া পুরো জমির মাটি ভরাট ও সীমানাদেয়াল নির্মাণের কাজও শেষ করেছেন তাঁরা।

অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিদ্যুতের সংযোগ রয়েছে। তিতাস গ্যাস সংযোগ দেওয়ার কাজ করছে।

আমান গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক মো. রবিউল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে নিজেদের বিনিয়োগের পাশাপাশি আমরা বিদেশি বিনিয়োগ নেব। ইতিমধ্যে জাপান, জার্মানি, কানাডা ও ভারত থেকে বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে। তবে গ্যাস না পাওয়া পর্যন্ত আমরা বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে চুক্তিতে যাচ্ছি না।’

আমান গ্রুপের সিমেন্ট, মাছ-মুরগির খাদ্য, পোলট্রি, বস্ত্র, টিস্যুসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসা রয়েছে। আমান অর্থনৈতিক অঞ্চলে বড় একটি সিমেন্টের কারখানা করছে তারা, যা চালু হলে সিমেন্ট উৎপাদন ক্ষমতার দিক দিয়ে তারা প্রথম সারিতে চলে আসবে।

আমান অর্থনৈতিক অঞ্চলকে লাইসেন্স প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী। িতনি বলেন, সব শর্ত পূরণ করেছে বলেই আমানকে চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে।

Comments

Comments!

 Natunsokal.com

আমান অর্থনৈতিক অঞ্চল চূড়ান্ত লাইসেন্স পেল

Friday, March 17, 2017 8:49 am

দেশের তৃতীয় বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইজেড) হিসেবে চূড়ান্ত লাইসেন্স পেয়েছে আমান অর্থনৈতিক অঞ্চল। এই অর্থনৈতিক অঞ্চল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ৮৩ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) আমানকে গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রাক্‌-যোগ্যতা লাইসেন্স দিয়েছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার বেজার কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে আমানকে চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়া হয়।

বেসরকারি খাতে এর আগে আবদুল মোনেম লিমিডেট ও মেঘনা গ্রুপ দুটি অর্থনৈতিক অঞ্চল চূড়ান্ত লাইসেন্স পেয়েছে।

লাইসেন্স প্রদান অনুষ্ঠানে আমান অর্থনৈতিক অঞ্চলের উদ্যোক্তারা বলেন, ইতিমধ্যে এই অর্থনৈতিক অঞ্চলটিতে তাঁরা প্রায় ৩১ কোটি ডলার ব্যয়ে আমান সিমেন্ট, আমান প্যাকেজিং লিমিটেড ও আমান শিপ বিল্ডিংয়ের কারখানা স্থাপন করেছেন, যা কয়েক মাসের মধ্যেই উৎপাদনে যেতে পারবে। এ ছাড়া পুরো জমির মাটি ভরাট ও সীমানাদেয়াল নির্মাণের কাজও শেষ করেছেন তাঁরা।

অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিদ্যুতের সংযোগ রয়েছে। তিতাস গ্যাস সংযোগ দেওয়ার কাজ করছে।

আমান গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক মো. রবিউল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে নিজেদের বিনিয়োগের পাশাপাশি আমরা বিদেশি বিনিয়োগ নেব। ইতিমধ্যে জাপান, জার্মানি, কানাডা ও ভারত থেকে বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে। তবে গ্যাস না পাওয়া পর্যন্ত আমরা বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে চুক্তিতে যাচ্ছি না।’

আমান গ্রুপের সিমেন্ট, মাছ-মুরগির খাদ্য, পোলট্রি, বস্ত্র, টিস্যুসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসা রয়েছে। আমান অর্থনৈতিক অঞ্চলে বড় একটি সিমেন্টের কারখানা করছে তারা, যা চালু হলে সিমেন্ট উৎপাদন ক্ষমতার দিক দিয়ে তারা প্রথম সারিতে চলে আসবে।

আমান অর্থনৈতিক অঞ্চলকে লাইসেন্স প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী। িতনি বলেন, সব শর্ত পূরণ করেছে বলেই আমানকে চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে।

Comments

comments

X